Headlines
বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে ইফতার করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যার এক দশক পার হলেও বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ চিন্তার স্বাধীনতার পরিবেশ উন্নত হয়নি বলে মনে করছেন মানবাধিকারকর্মী এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সদস্যরা।
বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এ বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসএআইডি’র কার্যক্রম স্থগিত করার কারণে রোহিঙ্গা শিবিরে একের পর এক হাসপাতাল ও ক্লিনিক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে স্বাস্থ্যসেবা থেকে প্রায় বঞ্চিত হচ্ছেন ৭০ হাজারের মতো রোহিঙ্গা। সামনে বন্ধ হয়ে যেতে পারে আরও বেশকিছু হাসপাতাল ও ক্লিনিক।
জিয়া চৌধুরী/ঢাকা গত জুলাই ও আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমন করতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনের সংগঠক ও সমন্বয়কদের হত্যা করে তাঁদের লাশ গুম করে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা (ওএইচসিএইচআর) বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জেনেভা থেকে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান নিয়ে তথ্য-অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, …
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার প্রেক্ষাপটে অভিযানকে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ নাম দিয়ে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করার কথা বলছে সরকার ।
ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনাকে ”অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত” উল্লেখ করে শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্যেকে দায়ী করে বিবৃতি করে দেয় অন্তর্বতীকালীন সরকার।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এক নতুন প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী, যেমন “স্বেচ্ছাচারী গ্রেপ্তার এবং প্রতিশোধমূলক সহিংসতা” বন্ধ করতে হবে। নইলে সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গৃহীত কিছু “গুরুত্বপূর্ণ’’ পদক্ষেপ ব্যাহত হতে পারে।
পপুলিস্ট ও জাতীয়তাবাদী নেতারা ‘ভুয়া খবর’ বা ‘জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী ‘ এই অজুহাতে সাংবাদিকদের শাস্তি দেওয়ার জন্য কঠোর আইন প্রণয়ন করেছেন বিশ্বের যেসব দেশে তাদের রাজত্ব রয়েছে। সেই আইনগুলি প্রয়োগ করে বিভিন্ন উপায়ে সংবাদ সংস্হাগুলিকে জব্দ করার চেস্টা করে চরম বাম হোক বা ডান পপুলিস্ট এবং জাতীয়তাবাদী নেতারা এবং তাদের কট্টর সমর্থকরা ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ বলে দাগিয়ে দিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন ভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা করা হয়।
অনলাইনে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আপনার অবস্থান নিষ্ক্রিয় রাখা৷ আপনি যদি আপনার অবস্থান সুরক্ষিত করতে চান তাহলে ফটোগ্রাফ, ভিডিও এবং যে কোনো প্ল্যাটফর্মে আপনি ছবি পোস্ট করছেন সহ সমস্ত পরিষেবার জন্য অবস্থান নিষ্ক্রিয় করার বিকল্প রয়েছে৷আপনার ব্যবহার করা প্রতিটি সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের জন্য, একটি অনন্য, পৃথক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন৷ অনেক সাইটে একই পাসওয়ার্ড পুনরায় ব্যবহার করলে আপনার ডিজিটাল পরিচয় হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়
সাইবার ট্রোলিং প্রায়ই ভারত সহ সারা বিশ্বে সরকার সমর্থক সাইবার ট্রলাররা মূলত অনলাইনে সমাজ বিরোধী সুলভ আচরণ করে৷ সাইবার ট্রোলিং সাইবার ট্রলিং থেকে নিজেকে বাঁচানোর সহজতম উপায় হলো বেশিরভাগ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া না দেওয়া এবং অন্য যেসব মেসেজ যা আপত্তিকর, হুমকিভরা এবং অপমানজনক, যেমন সোশ্যাল মিডিয়া community guidelines বর্ণিত রয়েছে৷